Focus Writing: Dhaka Metro Rail Project

ফোকাস রাইটিংঃ করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক বিপর্যয় মোকাবিলা
Content Protection by DMCA.com

Focus Writing: Dhaka Metro Rail Project নিয়ে BD Study Corner এ ২টি focus writing দেয়া হল। আপনার হাতে যদি সময় থাকে তাহলে focus writing হিসেবে লিখবেন Dhaka Metro Rail Project [1]। এটা একটু বিস্তারিত। কিন্তু সবকিছু Answer করতে গিয়ে যদি দেখেন যে সময় পাচ্ছেন না, তাহলে লিখে দিয়ে আসবেন Dhaka Metro Rail Project [2]। কিন্তু ছেড়ে আসবেন না।

Dhaka Metro Rail Project [1]

“যানজট” আর “ঢাকা” যেন সমার্থক শব্দ হয়ে গেছে। রাজধানীর যানজটের বাস্তবতা এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে, যাত্রার সময়টি নিশ্চিত করে বলা যায়, কিন্তু পৌঁছানোর সময় নয়। এই যানজট সহনীয় পর্যায়ে আনতে ফ্লাইওভার, লেন, রাস্তা প্রশস্তকরণ মিলিয়ে কতো রকম ব্যবস্থা যে নেওয়া হয়েছে- সে হিসেব মেলানো কঠিন।

কিন্তু যানজট আর দুর্ভোগ থেকে কিছুতেই পরিত্রাণ মিলছে না। দিন দিন পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকেই যাচ্ছে। এই অবনতিতে যখন রাজধানীবাসীর নাকাল হওয়ার দশা, তখন যেন স্বস্তির শীতল হাওয়া বইয়ে দিচ্ছে স্বপ্নের Dhaka Metro Rail Project।

আর তাই, “বাঁচবে সময় বাঁচবে তেল, জ্যাম কমাবে মেট্রোরেল”- স্লোগানে মুখরিত দেশের প্রথম Dhaka Metro Rail Project বাস্তবে রূপ পেতে শুরু করেছে। Dhaka Mass Rapid Transit Development Project [MRT] Line-6 কর্তৃক ঢাকা মহানগরীর পার্শ্ববর্তী এলাকার ক্রমবর্ধমান পরিধি ও জনসংখ্যা বিবেচনায় একটি সমন্বিত ও আধুনিক পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তােলার লক্ষ্যে প্রণীত Strategic Transport Plan এর সুপারিশের আলােকে উত্তরা ৩য় পর্ব হতে মতিঝিল পর্যন্ত ২০.১০ কি.মি. দীর্ঘ Metro Rail নির্মাণের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করে। এটি একটি Fast Track ভুক্ত প্রকল্প।

1. ২০১২ সালের ১৮ ডিসেম্বর সরকার Dhaka Metro Rail Project অনুমোদন করে। প্রকল্পের মেয়াদ জুলাই ২০১২ থেকে জুন ২০২৪ পর্যন্ত। ২০১৬ সালের ২৬ জুন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ইচ্ছার কারণে Dhaka Metro Rail Project এর কাজের গতি ত্বরান্বিত করা হয়েছে। তাই নির্ধারিত সময়ের চার বছর আগেই Metro Rail উদ্বোধনের ঘোষণা দিয়েছে নির্মাতা সংস্থা ঢাকা মেস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড [ডিএমটিসিএল]।

2. ২০.১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে প্রকল্প সহায়তা হিসেবে জাইকা দেবে ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পে ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে জাইকা। পাঁচ হাজার ৩৯০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয় করছে সরকার। এখন পর্যন্ত প্রকল্পের মোট ব্যয়ের ১৩.৪০ শতাংশ খরচ হয়েছে।

3. প্রকল্প সূত্রে বলা হয়েছে, Metro Rail ব্যবস্থায় প্রথম ধাপে ট্রেন চলাচল করবে ২৪টি। প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চলবে ট্রেনগুলো। প্রতি ট্রেনে থাকবে ছয়টি বগি। একটি ট্রেনে এক হাজার ৬৯৬ জন যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হবে। এর মধ্যে বসে যেতে পারবেন ৯৪২ জন, অন্যরা দাঁড়িয়ে যেতে পারবেন। একটি স্টেশনে ট্রেন অবস্থান করবে ৪০ সেকেন্ড।

যাত্রীরা ফুটপাত থেকে সিঁড়ি, এসকেলেটর কিংবা লিফটে উঠতে পারবেন ট্রেনে। “প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ৪ মিনিট পর পর মেট্রোরেল চলবে এবং উভয় দিকে ৬০,০০০ যাত্রী চলাচল করবে। ৬টি কার যুক্ত প্রতিটি বৈদ্যুতিক ট্রেন ১,৯০০ যাত্রী পরিবহণ করতে পারবে এবং ৩৭ মিনিটে উত্তরা হতে মতিঝিলে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে যাতায়াত করতে পারবে”[অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০১৮]।

4. Dhaka Metro Rail Project এর চূড়ান্ত রুট অ্যালাইনমেন্ট হলো- উত্তরা তৃতীয় ধাপ-পল্লবী, রোকেয়া সরণির পশ্চিম পাশ দিয়ে [চন্দ্রিমা উদ্যান-সংসদ ভবন] খামারবাড়ী হয়ে ফার্মগেট-সোনারগাঁও হোটেল-শাহবাগ-টিএসসি-দোয়েল চত্বর-তোপখানা রোড থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত।

5. Dhaka Metro Rail Project রুটের ১৬টি স্টেশন হচ্ছে- স্টেশনগুলো হলো, উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, বিজয়সরণী, ফার্মগেট, কারওয়ানবাজার, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় এবং মতিঝিল।

6. ট্রেন চালানোর জন্য বিদ্যুৎ নেওয়া হবে জাতীয় গ্রিড থেকে। ঘণ্টায় দরকার হবে ১৩.৪৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এর জন্য উত্তরা, পল্লবী, তালতলা, সোনারগাঁ ও বাংলা একাডেমি এলাকায় পাঁচটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র থাকবে।

7. প্রকল্পটি নির্মাণ শেষে শতভাগ সরকারি মালিকানাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited [DMTC] মেট্রোরেল পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করবে। প্রকল্পটি Early Commissioning এর জন্য ডিসেম্বর ২০১৯ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে মােতাবেক ২০১৯ সনের মধ্যে উত্তরা ৩য় পর্ব হতে আগারগাঁও পর্যন্ত এবং ২০২০ সনের মধ্যে মতিঝিল পর্যন্ত চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

8. এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি আটটি প্যাকেজের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করছে।

বিবরণকাজের অগ্রগতি
প্যাকেজ-১: মেট্রোরেলের ডিপো এলাকার ভূমি উন্নয়ন১০০%
প্যাকেজ-২: ডিপো এলাকার পূর্ত কাজ৪%
প্যাকেজ-৩ ও ৪: উত্তরা-আগারগাঁও পর্যন্ত ভায়াডাক্ট ও স্টেশন নির্মাণ৫%
প্যাকেজ-৫ ও ৬: আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অংশের ভায়াডাক্ট ও স্টেশন নির্মাণ
প্যাকেজ-৭: মেট্রোরেলের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড মেকানিক্যাল সিস্টেমের কাজ
প্যাকেজ-৮: মেট্রোরেলের কোচ ও ডিপো ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ৯%
সব মিলিয়ে প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি১৫%

9. ৫৯ একর জমির ওপর নির্মিত হচ্ছে বৈদ্যুতিক চালিত মেট্রোরেলের মূল ডিপো। আর এ মেট্রোরেলের বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে স্থাপন করা হচ্ছে দুটি বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট।

10. উত্তরা-আগারগাঁও পর্যন্ত অংশের ৯টি স্টেশন নির্মাণ কাজের মধ্যে ২, ৩ ও ৪ নম্বর স্টেশন নির্মাণ কাজ চলছে। দ্বিতল ভবনের সমান উচ্চতার প্রতিটি স্টেশনের নিচতলায় থাকবে টিকিট ঘর। প্রবেশ পথ হবে স্বয়ংক্রিয়।

11. Dhaka Metro Rail Project বাস্তবায়িত হলে শুধু ঢাকা শহর যানজটের কবল থেকে মুক্তি পাবে না; এর নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠার ফলে “শ্রমঘণ্টা বাঁচবে বর্তমানের তুলনায় ৮০ ভাগ। বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে” [দৈনিক ইত্তেফাক], যা বাংলাদেশের মোট রাজস্বের ১৭ শতাংশ এবং জিডিপির ১ দশমিক ৫ শতাংশের সমান।

নাগরিক সেবা উন্নত, অর্থনীতি গতিশীল, যাত্রীসেবা উন্নত, বিদেশি পর্যটক আকৃষ্টকরণ, যানজটমুক্ত এবং রাজধানীর সামগ্রিক চেহারা বদলে দেওয়ার সম্ভাবনা এই মেট্রোরেলের মধ্যেই এখন জাগ্রত হচ্ছে। মেট্রোরেলের ১৬টি স্টেশনের মধ্যে একটি রুট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে শাহবাগ, চারুকলা হয়ে টিএসসি রাজু ভাস্কর্য ঘুরে দোয়েল চত্বর হয়ে প্রেস ক্লাবের দিকে যাবে।

টিএসসি ও দোয়েল চত্বরের মাঝে একটি স্টেশন থাকবে। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী থেকে শুরু করে অনেকেই এর সুবিধা পাবেন। ঢাবির শিক্ষার্থীরা উত্তরা, টঙ্গী থেকে মাত্র ১০ মিনিটে ক্যাম্পাসে আসতে পারবেন।

12. সাউন্ড ব্যারিয়ার ওয়াল থাকবে মেট্রোরেলের অ্যালাইনমেন্টজুড়ে। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ ১৯ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার দীর্ঘ পথের বিভিন্ন এলাকাজুড়ে শব্দ ও কম্পননিরোধী ম্যাস স্প্রিং সিস্টেম [এমএসএস] থাকবে ছয় কিলোমিটার জায়গায়। ফলে ক্যাম্পাস এলাকায় কম্পন কিংবা শব্দদূষণজনিত কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

13. ডিএমটিসিএল-এর কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এমআরটি লাইন-৬-এর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক মানের ব্যবস্থা রাখা হবে। এ রেলপথ দিয়ে ২৪টি ট্রেন চলাচল করবে। প্রাথমিকভাবে ট্রেনগুলোতে ছয়টি বগি থাকবে। ভবিষ্যতে বগির সংখ্যা বাড়িয়ে আটটি করার পরিকল্পনা রয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এমআরটি লাইন-৬-এর অবস্থান হবে মাটি থেকে ১০.৪ মিটার উঁচুতে। কম্পন ও শব্দদূষণ ঠেকাতে কোথাও কোথাও ফ্লোটিং স্লাব ট্র্যাক [এফএলএস], কন্টিনিউয়াস ওয়েল্ডেড রেলস [সিডব্লিউআর] এবং শব্দ প্রতিরোধী দেয়াল স্থাপন করা হবে।

উপসংহারে বলা যায়, সরকারের Fast Track ভুক্ত প্রকল্প Metro rail জ্যামের নিগড়ে বন্দি ঢাকাবাসীর জন্য আর্শীবাদস্বরূপ। যা “যানজট” আর “ঢাকা” এই সমার্থক শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দে রূপান্তরিত করে সর্বসাধারণের জন্য নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব কার্যকরী গণপরিবহন ও দক্ষ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করে আরও গতিশীল করে তুলবে ঢাকা শহরকে।

Dhaka Metro Rail Project [2]:

“বাঁচবে সময় বাঁচবে তেল, জ্যাম কমাবে মেট্রোরেল”- স্লোগানে মুখরিত দেশের প্রথম Dhaka Metro Rail Project বাস্তবে রূপ পেতে শুরু করেছে। Dhaka Mass Rapid Transit Development Project [MRT] Line-6 কর্তৃক ঢাকা মহানগরীর পার্শ্ববর্তী এলাকার ক্রমবর্ধমান পরিধি ও জনসংখ্যা বিবেচনায় একটি সমন্বিত ও আধুনিক পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তােলার লক্ষ্যে প্রণীত Strategic Transport Plan এর সুপারিশের আলােকে উত্তরা ৩য় পর্ব হতে মতিঝিল পর্যন্ত ২০.১০ কি.মি. দীর্ঘ মেট্রোরেল নির্মাণের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করে।

প্রকল্পের মেয়াদ জুলাই ২০১২ থেকে জুন ২০২৪ পর্যন্ত। ২০১৬ সালের ২৬ জুন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ইচ্ছার কারণে নির্ধারিত সময়ের চার বছর আগেই Dhaka Metro Rail Project উদ্বোধনের ঘোষণা দিয়েছে নির্মাতা সংস্থা ঢাকা মেস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড [ডিএমটিসিএল]।

1. ২০.১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে প্রকল্প সহায়তা হিসেবে জাইকা দেবে ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এখন পর্যন্ত প্রকল্পের মোট ব্যয়ের ১৩.৪০ শতাংশ খরচ হয়েছে।

2. প্রকল্প সূত্রে বলা হয়েছে, মেট্রো রেল ব্যবস্থায় প্রথম ধাপে ট্রেন চলাচল করবে ২৪টি। “প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ৪ মিনিট পর পর মেট্রোরেল চলবে এবং উভয় দিকে ৬০,০০০ যাত্রী চলাচল করবে। ৬টি কার যুক্ত প্রতিটি বৈদ্যুতিক ট্রেন ১,৯০০ যাত্রী পরিবহণ করতে পারবে এবং ৩৭ মিনিটে উত্তরা হতে মতিঝিলে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে যাতায়াত করতে পারবে”[অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০১৮]।

3. এ রুটের ১৬টি স্টেশন হচ্ছে- স্টেশনগুলো হলো, উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, বিজয়সরণী, ফার্মগেট, কারওয়ানবাজার, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় এবং মতিঝিল।

4. ট্রেন চালানোর জন্য বিদ্যুৎ নেওয়া হবে জাতীয় গ্রিড থেকে। ঘণ্টায় দরকার হবে ১৩.৪৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এর জন্য উত্তরা, পল্লবী, তালতলা, সোনারগাঁ ও বাংলা একাডেমি এলাকায় পাঁচটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র থাকবে।

5. এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি আটটি প্যাকেজের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করছে।

বিবরণকাজের অগ্রগতি
প্যাকেজ-১: মেট্রোরেলের ডিপো এলাকার ভূমি উন্নয়ন১০০%
প্যাকেজ-২: ডিপো এলাকার পূর্ত কাজ৪%
প্যাকেজ-৩ ও ৪: উত্তরা-আগারগাঁও পর্যন্ত ভায়াডাক্ট ও স্টেশন নির্মাণ৫%
প্যাকেজ-৫ ও ৬: আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অংশের ভায়াডাক্ট ও স্টেশন নির্মাণ
প্যাকেজ-৭: মেট্রোরেলের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড মেকানিক্যাল সিস্টেমের কাজ
প্যাকেজ-৮: মেট্রোরেলের কোচ ও ডিপো ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ৯%
সব মিলিয়ে প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি১৫%

 

6. Dhaka Metro Rail Project টি বাস্তবায়িত হলে শুধু ঢাকা শহর যানজটের কবল থেকে মুক্তি পাবে না; এর নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠার ফলে “শ্রমঘণ্টা বাঁচবে বর্তমানের তুলনায় ৮০ ভাগ। বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে” [দৈনিক ইত্তেফাক], যা বাংলাদেশের মোট রাজস্বের ১৭ শতাংশ এবং জিডিপির ১ দশমিক ৫ শতাংশের সমান।

7. ডিএমটিসিএল-এর কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এমআরটি লাইন-৬-এর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক মানের ব্যবস্থা রাখা হবে। এ রেলপথ দিয়ে ২৪টি ট্রেন চলাচল করবে। প্রাথমিকভাবে ট্রেনগুলোতে ছয়টি বগি থাকবে। ভবিষ্যতে বগির সংখ্যা বাড়িয়ে আটটি করার পরিকল্পনা রয়েছে। কম্পন ও শব্দদূষণ ঠেকাতে কোথাও কোথাও ফ্লোটিং স্লাব ট্র্যাক [এফএলএস], কন্টিনিউয়াস ওয়েল্ডেড রেলস [সিডব্লিউআর] এবং শব্দ প্রতিরোধী দেয়াল স্থাপন করা হবে।

উপসংহারে বলা যায়, সরকারের Fast Track ভুক্ত প্রকল্প Metro Rail জ্যামের নিগড়ে বন্দি ঢাকাবাসীর জন্য আর্শীবাদস্বরূপ। যা “যানজট” আর “ঢাকা” এই সমার্থক শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দে রূপান্তরিত করে সর্বসাধারণের জন্য নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব কার্যকরী গণপরিবহন ও দক্ষ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করে আরও গতিশীল করে তুলবে ঢাকা শহরকে।

আরও পড়ুনঃ

[Focus Writing: Cold War-02 [চীন vs যুক্তরাষ্ট্র]]

[All Question Taken By Arts]
[All Question Taken By AUST]
[10th to 40th BCS]

ফেইসবুকে আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল পেইজ ও অফিসিয়াল গ্রুপের সাথে যুক্ত থাকুন। ইউটিউবে পড়াশুনার ভিডিও পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।