শব্দের এ উচ্চারণগুলোই মূলত প্রিলিতে আসে

বাংলা ভাষা বা গ্রামার
Content Protection by DMCA.com

শব্দের এ উচ্চারণগুলোই মূলত প্রিলিতে আসে

প্রদত্ত শব্দ ———-উচ্চারণ
অক্ষ ———- ওকখো
অক্ষর———–ওকখোর

অগ্নি ————ওগনি
অঙ্ক—————–অঙকো
অজ্ঞ—————–অগগোঁ
অদক্ষ—————–অদোকখো

অধ্যায়——————ওদধায়
অন্যূন—————-অননুনো
অপরাহ্ণ ————অপোরানহো

অবস্থা ————– অবোসথা
অভিজ্ঞ ————– ওভিগগোঁ
অভিধান ————– ওভিধান
অসহ্য ————– অশোজঝো

অহ্ন ————– অনহো
আকাঙ্ক্ষা ————–আকাংখা
আদ্য ————– আদদো
আহ্নিক ————– আনহিক

আহবান ————–আওভান
উদ্বেগ ————– উদবেগ
উদ্বেল ————– উদবেল

উদ্বোধন ————– উদবোধোন
উদ্যোগ ————–উদজোগ
ঐকমত্য ———– ওইকোমোততো
ঐক্য ————– ওইককো

সবচেয়ে কমন উপযোগী শুদ্ধ বানান যেগুলো প্রিলি তে প্রায় কমন আসে!!

পক্ব
অঘ্রান
অচিন্তনীয়
অচিন্ত্য
অদ্যাবধি
অন্তঃকরণ

আপস
আয়ত্ত তবে আয়ত্বাধীন নয়
আশিস
ইতঃপূর্বে

ইতোমধ্যে
উদ্ভূত
ক্ষুন্নিবৃত্তি
গড্ডলিকা

দিগহারা
দুরবস্থা
দুর্গ
নিক্বণ

পিশাচ
পুণ্য
পূর্বাহ্ণ
বক্ষ্যমাণ
বাল্মীকি
বিদুষী

বৈদগ্ধ্য
ভূরিভূরি
ভৌগোলিক
মনঃকষ্ট
মহত্ত্ব

মুমূর্ষু
মুহুর্মুহু
যদ্যপি
যশোলাভ
শনাক্ত

সদ্যোজাত
স্বায়ত্তশাসন
স্বত্বাধিকারী
গলাধঃকরণ

যাদের তৎসম,অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দগুলো পরীক্ষার হলে হঠাৎ মনে আসে না।সচরাচর পরীক্ষায় কমন আসে এমন শব্দ দিয়ে নোটটি সাজানো হয়েছে।

তৎসম শব্দ: সু পাত্র দেখে কন্যা হস্তগত করলে চন্দ্র,সূর্য,গ্রহ ও নক্ষত্রের ন্যায় মস্তক উজ্জ্বল হবে।গৃহিণীও মনুষ্য জাতি তাই তাদের সাথে ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী আচরণ করা উচিত।

ব্যাখ্যা: পাত্র,কন্যা,হস্ত চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র,মস্তক,গৃহিণী, মনুষ্য,ধর্ম।

অর্ধ-তৎসম: জোছনা কেষ্টকে ভালোবেসে নেমন্তন করতে কুচ্ছিত হলো না।ভালোবাসায় ছেরাদ্দ থাকতে হয়;শুধু গিন্নি ভেবে চন্দর রাতে ভোগ করার নাম পেন্নাম নয়।

ব্যাখ্যা: জোছনা,কেষ্ট,নেমন্তন, কুচ্ছিত,ছেরাদ্দ, গিন্নি,চন্দর,পেন্নাম।

তদ্ভব শব্দ : চাঁদ রাতে গায়ে সুগন্ধি তেল মেখে প্রেয়সীর হাত,পা ও কানে চুমো দেওয়ার নাম ভালোবাসা নয়।প্রকৃত ভালোবাসার মূল কাজ হচ্ছে বই পড়ে ভালো চাকরি পেয়ে ভালোবাসার মানুষটিকে দুধে-ভাতে রাখা।

ব্যাখ্যা: চাঁদ,রাত,গা,তেল,হাত,পা,কান,কাজ,বই,ভাত।

দেশি শব্দ: গঞ্জ থেকে এক কুড়ি ডাগর ডাব কিনে পেট পুরে আমার পাগলি’টাকে টোপর পড়িয়ে ডিঙ্গা নৌকায় করে চোঙ্গা মেলার থেকে চুলা ও কুলা উপহার দিয়ে ঢেঁকিতে ভালোবাসার রসালো ধান ভাঙ্গলাম।

ব্যাখ্যা: গঞ্জ, কুড়ি, ডাগর, ডাব, পেট, টোপর, ডিঙ্গা, চোঙ্গা, চুলা, কুলা, ঢেঁকি।

শব্দের এ উচ্চারণগুলোই মূলত প্রিলিতে আসে ছাড়া আরও পড়ুনঃ

ফেইসবুকে আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল পেইজ ও অফিসিয়াল গ্রুপের সাথে যুক্ত থাকুন। ইউটিউবে পড়াশুনার ভিডিও পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন। আমাদের সাইট থেকে কপি হয়না তাই পোস্টটি শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রাখতে পারেন।