বাংলাদেশের সংবিধান : পঞ্চম ভাগ (আইন সভা)

বাংলাদেশের সংবিধান : পঞ্চম ভাগ (আইন সভা)
Content Protection by DMCA.com

বাংলাদেশের সংবিধান : পঞ্চম ভাগ (আইন সভা)

প্রথম পরিচ্ছেদ- সংসদ

অনুচ্ছেদ-৬৫: সংসদ প্রতিষ্ঠা।

১) ‘জাতীয় সংসদ’ (House of the Nation) নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে। এই সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্থ হবে।
২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত ৩০০ সদস্য নিয়ে এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফায় কার্যকরতাবলে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদেরকে নিয়ে সংসদ গঠিত হবে। সদস্যগণ ‘সংসদ সদস্য’ বলে অভিহিত হবে।
৩) (ক) সংবিধান (পঞ্চদশ) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত ৫০ জন মহিলা সদস্য নিয়ে সংসদ গঠিত হবে।

অনুচ্ছেদ-৬৬: সংসদে নির্বাচিত হবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।

অনুচ্ছেদ-৬৭: সংসদের আসন শূণ্য হওয়া।
১) কোন সংসদ্য সদস্যের পদ শূণ্য হবে যদি –

ক) যদি তাঁর নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বঠৈকের তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলের নির্ধারিত শপথগ্রহন এবং শপথগ্রহণপত্রে স্বাক্ষরদান করতে ব্যর্থ হলে।তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হবার পূর্বে স্পিকার যথর্অথ কারণে তা বর্ধিত করতে পারবেন।
খ) যদি সংসদের অনুমতি না নিয়ে একাধিক্রমে ৯০ বৈঠক দিবস অনুপস্থিত থাকে।
গ) যদি সংসদ ভেঙ্গে যায়।

অনুচ্ছেদ-৬৮: সংসদ সদস্যের পারিশ্রমিক।

অনুচ্ছেদ-৬৯: শপথগ্রহনের পূর্বে আসনগ্রহণ বা ভোটদান করলে সদস্যের অর্থদন্ড।

অনুচ্ছেদ-৭০: পদত্যাগ ও অন্যান্য কারণে আসন শূণ্য হওয়া।
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হওয়া কোন ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন বা সংসদে উক্তদলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তাহলে সংসদে তার আসন শূণ্য হবে।

অনুচ্ছেদ-৭১: দ্বৈত সদস্যতায় বাধাঁ।

অনুচ্ছেদ-৭২: সংসদের অধিবেশন।

১) সরকারি বিজ্ঞপ্তি দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান, স্থগিত ও ভেঙ্গে দিতে পারেন। তবে শর্ত থাকে যে, ১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার (ক) উপদফায় উল্লিখিত নব্বই ‍দিন ব্যতিত অন্য সময়ে সংসদের এক অধিবেশনর সমাপ্তি এবং পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ৬০ দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকবেনা।
২) সংসদ সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হইবার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা।
৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া দিয়ে না থাকলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ৫ বছর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভেঙ্গে যাবে।

অনুচ্ছেদ-৭৩: সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী –

(২) সংসদ সদস্যদের প্রত্যেক সাধারণ নির্বাচনের পর প্রমথ অধিবেশনের সূচনায় এবং প্রত্যেক বছর প্রথম অধিবেশনের সূচনায় রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দান করবেন।

অনুচ্ছেদ-৭৩(ক): সংসদ সর্ম্পকে মন্ত্রীগণের অধিকার ।

অনুচ্ছেদ-৭৪: স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার।

অনুচ্ছেদ–৭৫: কার্যপ্রণালি বিধি, কোরাম প্রভৃতি–

১) এই সংবিধান সাপেক্ষে –
খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গ্রহীত হবে। তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্রে তিনি (স্পিকার) নির্ণায়ক ভোট বা কাস্টিং ভোট প্রদান করবেন।
২) সংসদে বৈঠক চলাকালে কোন সময় উপস্থিত সদস্য সংখ্যা ৬০ জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখবেন বা মুলতবী করবেন।

অনুচ্ছেদ ৭৬: সংসদের স্থায়ী কমিটি সমূহ

১) সংসদ সদস্যদের মধ্য হতে সদস্য নিয়ে সংসদ নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করবেন।
ক) সরকারি হিসাব কমিটি।
খ) বিশেষ অধিকার।
গ) সংসদের কার্যপ্রণালী বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি।

অনুচ্ছেদ -৭৭: ন্যায়পাল ।

১) সংসদ আইন দ্বারা ন্যায়পালের পদ প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
২) সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়, সরকারি কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ বা দায়িত্ব প্রদান করবেন, ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা বা দায়িত্ব পালন করবেন।

ন্যায়পালের ইতিহাস
১৮০৯ সালে বিশ্বে প্রথম সুইডেনের সংবিধানে ‘অম্বাডসম্যান’ বা ন্যায়পাল পদ সৃষ্টি করা হয়। সুইডিশ শব্দ অম্বাডসম্যান এর অর্থ হলো প্রতিনিধি বা মুখপাত্র।অর্থাৎ ন্যায়পাল হলেন এমন ব্যক্তি যিনি অন্যের জন্য কথা বলেন, বা প্রতিনিধিত্ব করেন। ব্রিটেনে ‘সংসদীয় কমিশনার’ নামে ন্যায়পালের সমবিধান প্রচলিত আছে। ভারতে ন্যায়পালের পরিবর্তে লোকপাল নামে পদ সৃষ্টির আলোচনা চলছে।বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল পদ সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে যা ১৯৮০ সালে আইন পাস হয় কিন্তু এখন পর্যন্ত কাউকে ন্যায়পাল পদে নিয়োগ দেয়া হয়নি।

অনুচ্ছেদ-৭৮: সংসদ ও সদস্যদের বিষেশ অধিকার ও দায়মুক্তি।

অনুচ্ছেদ-৭৯: সংসদের সচিবালয়।

 

২য় পরিচ্ছেদ- আইনপ্রণয়ন ও অর্থ-সংক্রান্ত পদ্ধতি

অনুচ্ছেদ-৮০: আইন প্রণয়ন পদ্ধতি

১) আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।
২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকঠ পেশ করা হইবে।
৩) রাষ্ট্রপতির কাছে কোন বিল পেশ করার ১৫ দিনের মধ্যে তিনি তাতে সম্মতি দান করবেন বা অর্থবিল ব্যতিত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধিত বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারবেন এবং রাষ্ট্রপতি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানে বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হবে।

অনুচ্ছেদ-৮১: অর্থবিল।

অনুচ্ছেদ-৮২: আর্থিক ব্যবস্থাবলির সুপারিশ।

অনুচ্ছেদ-৮৩: সংসদের আইন ব্যতিত করারোপে বাধা।

অনুচ্ছেদ-৮৪: সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাব।

অনুচ্ছেদ-৮৫: সরকারি অর্থের নিয়ন্ত্রণ।

অনুচ্ছেদ-৮৬: প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাবে প্রদেয় অর্থ।

অনুচ্ছেদ-৮৭: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি।

অনুচ্ছেদ-৮৮: সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়।

অনুচ্ছেদ-৮৯: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি।

অনুচ্ছেদ-৯০: নির্দিষ্টকরণ আইন।

অনুচ্ছেদ-৯১: সম্পুরক ও অতিরিক্ত মজ্ঞুরি।

অনুচ্ছেদ-৯২: হিসাব ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট।

অনুচ্ছেদ-৯২(ক): বিলুপ্ত।

 

৩য় পরিচ্ছেদ- অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা

অনুচ্ছেদ-৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন ক্ষমতা।

১) (সংসদ ভেঙ্গে যাওয়ার অবস্থায় বা উহার অধিবেশনকাল ব্যতিত) কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রয়েছে বলে সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলে মনে করবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করতে পারবেন এবং জারী হবার পর হতে অনুরূভাবে প্রনীত অধ্যাদেশ সংসদেও আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হবে।

২) কোন অধ্যাদেশ জারী হবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হবে এবং ইতোপূর্বে বাতিল না হয়ে থাকলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ৩০ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ উত্তীর্ণ হবার পূর্বে তা অনুমোদন করে সংসদে প্রস্তার গৃহীত হলে অধ্যাদেশটির কার্য়কারিতা লোপ পাবে।

 

MCQ প্রশ্ন সমাধান

 

১.ইংরেজীতে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সাংবিধানিক নাম-

ক) National Parliament
খ) National Assembly
গ) House of Nation
ঘ) House of the people
ঙ) Bangladesh National Parliament

উত্তরঃ গ) House of Nation

২. বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ কয় কক্ষ বিশিষ্ট?

ক) এক কক্ষ
খ) তিন কক্ষ
গ) দুই কক্ষ বা দ্বিকক্ষ
ঘ) চার কক্ষ

উত্তরঃ ক) এক কক্ষ

৩. বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে উত্থাপিত সরকারী বিল বলতে বুঝায়-

ক) কেবলমাত্র মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত বিল
খ) সরকার দলীয় সংসদ সদস্যগণ কর্তৃক উত্থাপিত বিল
গ) ক ও খ উভয়টি সঠিক
ঘ) সংসদ সদস্যগণ কর্তৃক কেবলমাত্র বৃহস্পতিবারের উত্থাপিত বিল
ঙ) কোনটিই নয়

উত্তরঃ ক) কেবলমাত্র মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত বিল

৪. একজন সংসদ সদস্য স্পিকারের অনুমতি ছাড়া কত দিন সংসদের বাইরে থাকতে পারবে?

ক.৩০ দিন
খ.৪৫ দিন
গ.৬০ দিন
ঘ.৯০ দিন

উত্তরঃ ঘ.৯০ দিন

৫. সংসদের অধিবেশন সমাপ্ত হওয়ার কত দিন পর আবার অধিবেশন ডাকা বাধ্যতামূলক?

ক) ৯০
খ) ৮০
গ) ৭০
ঘ) ৬০

উত্তরঃ ঘ) ৬০

৬. সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ ‘ন্যায়পাল’ নিয়োগের বিধান আছে?

ক) ৪১ নং অনুচ্ছেদে
খ) ৫১ নং অনুচ্ছেদে
গ) ৬৬ নং অনুচ্ছেদে
ঘ) ৭৭ নং অনুচ্ছেদে

উত্তরঃ ঘ) ৭৭ নং অনুচ্ছেদে

৭. জাতীয় সংসদের কত ভোটে সাধারণ আইন পাস হয়?

ক) ৫০ %+১
খ) ৫৫ %+১
গ) ৬০ %+১
ঘ) ৭০ %+১

উত্তরঃ ক) ৫০ %+১

৮. বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন কয়টি?
(The number of reserve seats for Women in our parliament is -)

ক) 25
খ) 30
গ) 45
ঘ) 50

উত্তরঃ ঘ) 50

৯. সংসদের ‘বিশেষ অধিকার কমিটি’ কোন ধরনের কমিটি?

ক) সাংবিধানিক অস্থায়ী কমিটি
খ) স্পিকারের ইচ্ছায় মাঝে মধ্যে গঠিত কমিটি
গ) সাংবিধানিক স্থায়ী কমিটি
ঘ) বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবেলা কমিটি

উত্তরঃ গ) সাংবিধানিক স্থায়ী কমিটি

১০. কোনো কারণে সংসদ ভেঙ্গে গেলে পরবর্তী কত দিনের মধ্যে বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে?

ক) ৩০ দিন
খ) ৬০ দিন
গ) ৯০ দিন
ঘ) ১৮০ দিন

উত্তরঃ গ) ৯০ দিন

১১. বেসরকারী বিল কাকে বলে?

ক) স্পিকার যে বিলকে বেসরকারী বলে ঘোষণা দেন
খ) সংসদ সদস্যদের উথাপিত বিল
গ) বিরোধী দলের সদস্যদের উত্থাপিত বিল
ঘ) রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ঘোষিত কোন বিল

উত্তরঃ খ) সংসদ সদস্যদের উথাপিত বিল

১২. অধ্যাদেশ প্রণয়ন করেন –
(Who has the authority to issue an ordinance is Bangladesh?)

ক) Prime Minister
খ) President
গ) Chief Adviser
ঘ) Council of Advisors

উত্তরঃ খ) President

১৩. সাংসদদের প্রধান কাজ কি?

ক) যুতসই আইন প্রণয়ন
খ) আইনের ব্যাখ্যা দান
গ) আইনসমূহের প্রয়োগ
ঘ) বিচারিক কার্য সম্পাদন

উত্তরঃ ক) যুতসই আইন প্রণয়ন

১৪. ন্যায়পাল প্রতিষ্ঠানটির উদ্ভব কোথায়?

ক) ফিনল্যান্ড
খ) নেদারল্যান্ডে
গ) আইসল্যান্ডে
ঘ) সুইডেনে

উত্তরঃ ঘ) সুইডেনে

১৫. বাংলাদেশে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন প্রণয়ন করে থাকে?

ক) প্রধানমন্ত্রী
খ) জাতীয় সংসদ
গ) বিচার বিভাগ
ঘ) প্রশাসন বিভাগ

উত্তরঃ খ) জাতীয় সংসদ

১৬. কোন ব্যক্তির জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স-

ক) ২৫ বছর
খ) ১৮ বছর
গ) ৩০ বছর
ঘ) ২০ বছর

উত্তরঃ ক) ২৫ বছর

১৭. আমাদের সংবিধানের পঞ্চম ভাগে আইন প্রণয়ন ও অর্থ সংক্রান্ত পদ্ধতি কোন পরিচ্ছেদে লিপিবদ্ধ আছে?

ক) দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে
খ) প্রথম পরিচ্ছেদে
গ) তৃতীয় পরিচ্ছেদে
ঘ) উপরের কোন পরিচ্ছদই সঠিক নয়

উত্তরঃ ক) দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে

১৮. সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিল সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করার কত দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি তাতে সম্মতি দান করবেন?

ক) ৭ দিন
খ) ১০ দিন
গ) ১৫ দিন
ঘ) ৬০ দিন

উত্তরঃ গ.১৫ দিন

১৯. জাতীয় সংসদে নির্বাচিত কোন সদস্য একটানা কত দিন অনুপস্থিত থাকলে তার সদস্যপদ বাতিল করার বিধান সংবিধানে রাখা হয়েছে?

ক) ৩০ দিন
খ) ৬০ দিন
গ) ৯০ দিন
ঘ) ১২০ দিন

উত্তরঃ গ.৯০ দিন

২০. সংসদে ‘casting vote’ কি?

ক) সংসদের নেত্রীর ভোট
খ) হুইপের ভোট
গ) স্পিকারের ভোট
ঘ) রাষ্ট্রপতির ভোট

উত্তরঃ গ.স্পিকারের ভোট

২১. দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ কে?

ক) আইন বিভাগ
খ) শাসন বিভাগ
গ) বিচার বিভাগ
ঘ) মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক

উত্তরঃ ক) আইন বিভাগ

২২. সংসদে সবসময় থাকবে-
(In a parliament, there will always be-)

ক) রাষ্ট্রপতি (The President )
খ) প্রধানমন্ত্রী (The Prime Minister)
গ) সংসদ সদস্যগণ (The MPs)
ঘ) বিরোধী দলীয় নেতা (The leader of opposition)

উত্তরঃ গ) সংসদ সদস্যগণ (The MPs)

২৩. বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান করেন কে?

ক) রাষ্ট্রপতি
খ) স্পীকার
গ) চীপ হুইপ
ঘ) প্রধানমন্ত্রী

উত্তরঃ ক) রাষ্ট্রপতি

২৪. বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে কোরাম হয় কত সদস্যের উপস্থিতিতে?

ক) ৫৭ জন
খ) ৬০ জন
গ) ৬২ জন
ঘ) ৬৫ জন

উত্তরঃ খ) ৬০ জন

২৫. সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের বৈঠকের মধ্যে কত দিনের বেশি বিরতি থাকবে না?

ক) ৩০ দিন
খ) ৪০ দিন
গ) ৫০ দিন
ঘ) ৬০ দিন

উত্তরঃ ঘ) ৬০ দিন

২৬. বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি কে?

ক) সংসদ বিষয়ক সচিব
খ) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
গ) মাননীয় স্পিকার
ঘ) মহামান্য রাষ্ট্রপতি

উত্তরঃ গ) মাননীয় স্পিকার

২৭. কার সম্মতি ছাড়া কোন বিল পাস করা যাবেনা?

ক) প্রধানমন্ত্রীর
খ) স্পীকারের
গ) সচিবের
ঘ) রাষ্ট্রপতির

উত্তরঃ ঘ) রাষ্ট্রপতির

২৮. ‘অর্থ বিল’ সম্পর্কিত বিধানাবলী আমাদের সংবিধানের কোন আর্টিক্যালে উল্লেখ আছে?

ক) ৮০ (১)
খ) ৮১ (১)
গ) ৮২
ঘ) ৮৪ (১)

উত্তরঃ খ) ৮১ (১)

২৯. “Ordinance” এর বাংলা কোনটি?

ক) যুদ্ধাস্ত্র
খ) প্রচলিত ধারা
গ) অধ্যাদেশ
ঘ) সাদাসিধা

উত্তরঃ গ) অধ্যাদেশ

৩০. অধ্যাদেশ প্রণয়ন করেন-
(Who has the authority to issue an ordinance is Bangladesh?)

ক) Prime Minister
খ) President
গ) Chief Adviser
ঘ) Council of Advisors

উত্তরঃ খ) President

৩১. সংবিধানের কত ধারা অনুযায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যাল অধ্যাদেশ-২০০২ করা হয়েছে?

ক) ৫৫ (৬)
খ) ৯৩ (১)
গ) ৯৩ (২ক)
ঘ) ৫৬ (৩)

উত্তরঃ খ) ৯৩ (১)

 

আরোও পড়ুনঃ

বাংলাদেশের সংবিধান : চতুর্থ ভাগ (নির্বাহী বিভাগ)
বাংলাদেশের সংবিধান : তৃতীয় ভাগ (মৌলিক অধিকার)
বাংলাদেশের সংবিধান : দ্বিতীয় ভাগ (রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি)
বাংলাদেশের সংবিধান : প্রথম ভাগ (প্রজাতন্ত্র)
বাংলাদেশের সংবিধান : প্রস্তাবনা, বিভাগ, বিষয় ও অনুচ্ছেদ
বাংলাদেশের সংবিধান : রচনাকালের ইতিহাস

ফেইসবুকে আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল পেইজ ও অফিসিয়াল গ্রুপের সাথে যুক্ত থাকুন। ইউটিউবে পড়াশুনার ভিডিও পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।