বাংলাদেশের মুদ্রাব্যবস্থা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন সময় করা উদ্ধৃতিসমূহবাংলাদেশ বিষয়াবলী
Content Protection by DMCA.com

বাংলাদেশের মুদ্রাব্যবস্থা

কার্যকারিতার ভিত্তিতে মুদ্রা বলতে আমরা বুঝি, ‘মুদ্রা একটি বিনিময় মাধ্যম, যা সবার নিকট গ্রহণীয় এবং যা মূল্যের পরিমাপক ও সঞ্চয়ের বাহন হিসাবে কাজ করে’।

1. ১ম নোট চালু- ৪/৩/১৯৭২ সালে [১ টাকা ও ১০০ টাকার নোট ]
2. ১ম ধাতব মুদ্রা চালু- ৪/১/১৯৭৩ সালে।
3. বর্তমানে নোট – ৯ টি। [যোগ করলে হয় =১৬৮৮ টাকা]
4. সরকারি নোট – ৩টি । [১,২,৫ : স্বাক্ষর করেন -অর্থ সচিব :অর্থ মন্ত্রনালয়]
5. বেসরকারি নোট -৬টি। [১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০, ১০০০: স্বাক্ষর : গর্ভনর]
6. বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস – গাজীপুর।

দুই টাকার নোট: দুই টাকার নোটের এক পাশে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও জাতীয় স্মৃতি সৌধের ছাপ এবং অপর পাশে শহীদ মিনারের ছবি মুদ্রিত। ‘সবার জন্য শিক্ষা’ স্লোগানটি আছে দুই টাকার মুদ্রায়। এটি বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর কাগুজে মুদ্রা।

পাঁচ টাকার নোট: পাঁচ টাকার নোটের প্রথম পাশ দুইটাকার নোটের মত অপর পাশে শহীদ মিনারের পরিবর্তে নওগাঁর কুসুম্বা মসজিদের ছবি মুদ্রিত।

দশ টাকার নোট: দশ টাকার নোটের প্রথম পাশও দুই টাকা ও পাঁচটাকার নোটের মত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও মাঝখানে জাতীয় স্মৃতি সৌধের ছবি, আর অপর পাশে আছে জাতীয় মসজিদের ছবি।

বিশটাকার নোট: বিশটাকার নোট ও আগের মতই তবে নোটের পশ্চাৎভাগে ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি মুদ্রিত।

পঞ্চাশ টাকার নোট: পঞ্চাশ টাকার নোট ও আগের মতই শুধু নোটের পশ্চাৎভাগে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের বিখ্যাত ‘মই দেয়া’ ছবি মুদ্রিত।

একশত টাকার নোট: একশত টাকার দুটি নোট একটির সম্মুখভাগ আগের মতই পশ্চাৎভাগে আছে ঢাকার তারা মসজিদের ছবি।

অপর নোটি। একশত টাকার অপর নোট টিতে সম্মুখভাগে আছে শুধু জাতীয় স্মৃতি সৌধ অপরপাশে যমুনা সেতু।

পাঁচশত টাকার নোট: পাঁচশত টাকার ও দুটি নোট একটির সম্মুখভাগ আগের মতই বঙ্গবন্ধু এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধের ছবি অপর পাশে আছে নদীতে পাল তোলা নৌকা এবং নদীর পাশে চাষাবাদের ছবি। অপর নোটটিতে এক পাশে বঙ্গবন্ধুর ছবিসহ একটি মসজিদের ছবি অপর পাশে ও একতি মসজিদের ছবি।

এক হাজার টাকার নোট: এক হাজার টাকারও দুটি নোট। একটি তে বঙ্গবন্ধুর প্রিতিকৃত্রি সাথে জাতীয় স্মৃতি সৌধ ও অপর পাশে জাতীয় সংসদ ভবন। অপরটিতে প্রথম পাশে শহীদ মিনার দ্বিতীয় পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের ছবি।

১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের নোটের চারটি বৈশিষ্ট:

নিরাপত্তা সুতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো ও নোটের মূল্যমান লেখা থাকবে। নোটটি এদিক-ওদিক বা কাঁত করলে নোটের উপরে ডান পাশে যে মূল্যমান লেখা থাকে তার রঙ পরিবর্তন হবে।

উপরোক্ত তিনটি নোটের সামনের ও পেছনের পীঠের ডিজাইন, মাঝখানের লেখা, ইংরেজি ও বাংলা সংখ্যায় লেখা নোটের মূল্যমান, ৭টি সমান্তরাল হেলানো সরলরেখা এবং এর ঠিক নিচে অবস্থিত ছোট ছোট বৃত্তাকার ছাপ খসখসে অনুভূত হবে।

টাকার উল্টা পাশে বাম দিকের নিচে নোটের মূল্যমানে BANGLADESH BANK লেখা থাকবে। যা আতশী কাঁচ বা অনুরূপ যন্ত্র দিয়ে দেখা যায়।

তথ্যকণিকা:

1. বর্তমানে বাংলাদেশে কাগজের নোট রয়েছে = ৯টি(১, ২, ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০, ১০০০)
2. এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের নোট = ৬টি।((১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০, ১০০০)
3. বাংলাদেশে প্রচলিত টাকার ব্যাংক নোট নয় = এক, দুই ও পাঁচ টাকার নোট।
4. এক টাকার, দুই টাকার ও পাঁচ টাকার নোটে স্বাক্ষর থাকে = অর্থ সচিবের।

5. বাংলাদেশে চালু পলিমার মুদ্রা মুদ্রিত হয় = অস্ট্রেলিয়ায়।
6. ৫০০ টাকার নোট কোন দেশে ছাপা হয় = জার্মানিতে
7. ১ ও ৫ টাকার ধাতব মুদ্রা তৈরি করা হয় = কানাডায়।
8. সরকারি নোট = ১, ২ ও ৫ টাকার নোট।

9. বাংলাদেশে টাকা ছাপার জন্য বিশেষ কাগজ আমদানি করা হয় = সুইজারল্যান্ড থেকে।
10. বর্তমানে বাংলাদেশ বাংকের শাখা = ১০টি (সর্বশেষ ময়মনসিংহ)।
11. ১ মার্কিন ডলার তৈরী করতে বাংলাদেশী = ২১ টাকা খরচ হয়।

বাংলাদেশের মুদ্রাব্যবস্থা ছাড়া আরও পড়ুনঃ

ফেইসবুকে আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল পেইজ ও অফিসিয়াল গ্রুপের সাথে যুক্ত থাকুন। ইউটিউবে পড়াশুনার ভিডিও পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন। আমাদের সাইট থেকে কপি হয়না তাই পোস্টটি শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রাখতে পারেন।