ফোকাস রাইটিং : অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের গুরুত্ব ও ভূমিকা

ফোকাস রাইটিং : ব্লু ইকোনমি
Content Protection by DMCA.com

ফোকাস রাইটিং : অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের গুরুত্ব ও ভূমিকা
অথবা, রেমিট্যান্স ও আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতি
অথবা, রেমিট্যান্স ও জাতীয় উন্নয়ন
অথবা, বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়নে রেমিটেন্সের অবদান

গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিদেশে কর্মরত মানুষেরা তাদের উপার্জিত টাকা নিজ দেশে পাঠালে সেই টাকাকে রেমিট্যান্স বলে। রেমিট্যান্স হলো দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি এবং উন্নয়নের ভিত্তি ও অন্যতম চালিকাশক্তি। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য বৈদেশিক সম্পদ অর্জনের অন্যতম প্রধান উৎস হলো রেমিট্যান্স।

বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা থেকে পাওয়া উন্নয়ন সহায়তার চেয়ে এর ভূমিকা ও গুরুত্ব অনেক বেশি এবং বেসরকারি ঋণ সংস্থান ও পোর্টফোলিও ইকুইটি প্রবাহের চেয়েও অনেক বেশি স্থিতিশীল। আমাদের প্রবৃদ্ধির অন্যতম নিয়ামক হিসেবে প্রবাসীদের পাঠানো এই অর্থকে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। অর্থনৈতিক উন্নয়নে রেমিট্যান্সের অবদান মোট জিডিপির ১২ শতাংশের মতো। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে।

প্রবাসী এসব শ্রমিক যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠাচ্ছেন, তা দেশের মোট রফতানি আয়ের অর্ধেক। বিগত চল্লিশ বছরে প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ প্রবাসী বিদেশে গমন করেছে এবং তা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিজেদের কষ্টার্জিত উপার্জনের অর্থ নিয়মিত পাঠিয়ে তারা এ দেশকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষে গড়ে তোলেন।সাম্প্রতিক সময়ে কভিড-১৯-এর অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবেলার ক্ষেত্রেও রেমিট্যান্সের অবদান রয়েছে।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৬৪২ কোটি ডলার এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ। শুরু থেকেই সৌদি আরব প্রবাসীদের অন্যতম প্রধান গন্তব্যস্থল হলেও সাম্প্রতিক সময়ে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ওমান, কাতার ও আরব আমিরাত রেমিট্যান্সের গুরুত্বপূর্ণ উৎসস্থল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তৈরি পোশাকের পরে অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ দ্বিতীয় স্থান যা দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে রাখতে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।

প্রবাসীদের কারণে এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ রেকর্ড পরিমাণে আছে এবং যার পরিমাণ জুন ২০২০ শেষে ৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই অবদান এতটাই শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ যে, ২০০৮ সালে আমেরিকায় শুরু হওয়া অর্থনৈতিক মন্দা যখন পুরো বিশ্বকে চোখ রাঙিয়েছে, তখন বাংলাদেশের জন্য বর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছিল এসব প্রবাসী। বাঁচিয়েছিল এ দেশের মানুষ ও এর অর্থনীতির চাকাকে।

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংকটের মধ্যেও দেশে রেমিট্যান্স আহরণে রেকর্ড করেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ।

করোনার প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতে চলমান স্থবিরতার মধ্যেও এক দিনে বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ দুটি সূচকে রেকর্ড হয়েছে। বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ জুন শেষে ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। একই সঙ্গে জুনে রেকর্ড ১৮৩.৩০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগে গত ২৩ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার স্পর্শ করে।

আপনি পড়ছেন- ফোকাস রাইটিং : অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের গুরুত্ব ও ভূমিকা

আমদানিতে বড় ধসের বিপরীতে রেমিট্যান্সে বড় উল্লম্ফন এবং রফতানি খাত ঘুরে দাঁড়ানোকেই রিজার্ভ বৃদ্ধির কারণ বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বিগত অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ১৮৩ কোটি ২৫ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৬ কোটি ৮৩ লাখ ডলার বেশি।

২০১৯ সালের জুনে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৩৬.৪২ কোটি ডলার। চলতি বছরের জুনে একক মাস হিসাবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ হয়েছে। এর আগে এক মাসে সর্বোচ্চ ১৭৪.৮১ কোটি ডলার রেমিট্যান্সের রেকর্ড ছিল ২০১৯ সালের মে মাসে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে রিজার্ভ ৩৬.১৪ বিলিয়ন ডলার কখনো ছাড়ায়নি। আর এক মাসে এত বেশি রেমিট্যান্সও আসেনি। রেমিট্যান্সের বিদ্যমান ধারা অব্যাহত থাকলে জুলাই মাসের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এদিকে গত ২০১৯-২০ অর্থবছরের মতো রেমিট্যান্স বাড়াতে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরেও এ খাতে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেয়া হবে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রবাসীদের সামগ্রিক কল্যাণ ও সুযোগের সমতা নিশ্চিতকরণ, ক‚টনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে নতুন নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি এবং ওই বাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে সরকার কাজ করছে।’

রেমিট্যান্সের ভূমিকা ও গুরুত্ব প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নানাবিধ এবং নানামুখী। প্রবাসীদের অর্জিত অর্থের একটা অংশ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিবারের কাছে পাঠায়। এই অর্থ কেবল তাদের পরিবারের প্রয়োজনই মেটায় না, তাদের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি করে, অবকাঠামো উন্নয়ন, সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধকরণ এবং নানা ক্ষেত্রে বিনিয়োগ হয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আমাদের অর্থনৈতিক গতিশীলতার ক্ষেত্রে রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ নিউক্লিয়াস হিসেবে কাজ করে। জাতীয় অর্থনীতির তাই অন্যতম চালিকাশক্তি এই রেমিট্যান্স। রেমিট্যান্সের ওপর ভর করেই এখন আমরা পদ্মা সেতুসহ অনেক বড় বড় প্রকল্প নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করার সাহস পাচ্ছি। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের জন্য আমাদের কনফিডেন্স বেড়েছে। আমরা এতদিন সহজ শর্তে ছোট ছোট ঋণ নিতাম। এখন আমরা বড় ঋণ নেয়ার সাহস অর্জন করেছি।

কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ অর্থনীতির ক্ষেত্রে শ্রমশক্তি তুলনামূলকভাবে স্বল্প আয় ও স্বল্প উৎপাদক কৃষিতে নিয়োজিত থাকায় গত কয়েক দশকের কাঠামোগত রূপান্তরের সুফল সেভাবে গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রতিফলিত হয়নি। কিন্তু তা সত্ত্বেও গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের গ্রামের আর্থিক অবকাঠামোয় ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। আশির দশকের মাঝামাঝি গ্রামের দারিদ্র্যের হার যেখানে ছিল ৫৩.৮ শতাংশ, তা নব্বইয়ের দশকে কিছুটা বাড়লেও (১৯৯৫/৯৬-তে গ্রামীণ দারিদ্র্যের হার ছিল ৫৬.৭ শতাংশ) ২০০০ সালে এ হার কমে দাঁড়ায় ৫৩.১ শতাংশে, যা বর্তমানে নেমে এসেছে ২৬.৪ শতাংশে। সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন আঙ্গিকে সহায়তা ও ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচির সফলতা ছাড়াও এ সাফল্যের ক্ষেত্রে রেমিট্যান্সের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়েও দৃশ্যমান।

২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে বলে অনেকে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। রেমিট্যান্স একই সঙ্গে দেশের বেকার সমস্যা নিরসনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তা ছাড়া জনশক্তি রফতানির ফলে বিরাট সংখ্যক জনগণের দৈনন্দিন চাহিদা ও খাদ্যসামগ্রীও স্থানীয়ভাবে জোগাড় করতে হচ্ছে না। সারা বিশ্বের দেড় শতাধিক দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে প্রায় সোয়া কোটি বাংলাদেশি, যারা সার্বিকভাবে আমাদের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছেন।

দেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের গুরুত্ব অনুধাবন করে তা বাড়াতে সরকারি উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। প্রবাসী আয় প্রেরণে ব্যয় হ্রাস, বিদেশে কর্মরত ব্যাংকের শাখা ও এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোকে রেমিট্যান্স প্রেরণে দক্ষ করে তোলা, প্রবাসীরা যেসব দেশে কর্মরত সেসব দেশের স্থানীয় ব্যাংকগুলোর সঙ্গে এ দেশের ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ড্রয়িং ব্যবস্থা জোরদারকরণ এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রেরণে উদ্বুদ্ধকরণ।

আমাদের অর্থনীতির ভিত্তি শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে এই জনসংখ্যা রফতানি নিশ্চিত বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত। শুধু নিশ্চিত বিনিয়োগ নয়, নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবেও জনসংখ্যা রফতানিকে বিবেচনা করা যায়। রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানোর ক্ষেত্রে জনসংখ্যা রফতানির যেমন প্রত্যক্ষ ভ‚মিকা রয়েছে, তেমনি বিদেশে কর্মরত জনশক্তির পারিশ্রমিক যাতে কাজ ও দক্ষতা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়, সে জন্যও সরকারকে উদ্যোগী ভূমিকা রাখতে হচ্ছে।

মনে রাখতে হবে যে, জনসংখ্যা রফতানি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সরকার যদি কূটনীতিক তৎপরতা বৃদ্ধি করে, তা হলে জনসংখ্যা রফতানির সুফল ও রেমিট্যান্স প্রবাহ আমাদের অর্থনীতির ইতিবাচক খাতের সঙ্গে একই ধারায় প্রবাহিত হবে।

বাংলাদেশের জনশক্তি রফতানি খাতে রেমিট্যান্স আয় আরো বাড়ানোর জন্য হুন্ডি প্রতিরোধ করার জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে কিন্তু পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি। বর্তমানে মোট উপার্জিত রেমিট্যান্সের বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও কোরিয়ার রেমিট্যান্সের ২৩.৩০ শতাংশই হুন্ডির মাধ্যমে দেশে আসছে। ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণ করার ক্ষেত্রে নানা ঝামেলা থাকায় প্রবাসীদের অনেকেই হুন্ডির মাধ্যমে তাদের টাকা দেশে প্রেরণ করছে। তবে গত অর্থবছরে চালু করা ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা হুন্ডি প্রতিরোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।

জনশক্তি রফতানি খাতটি এখনো বলতে গেলে পুরোপুরি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এতে বিদেশ গমনকারীদের যেমন বেশি পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে তেমনি নানাভাবে প্রতারিত হতে হচ্ছে। সরকারি উদ্যোগে বিদেশে জনশক্তি রফতানি করা গেলে এ সমস্যা অনেকটাই সমাধান করা সম্ভব হতো।

বাংলাদেশের সার্বিক আর্থ-সামাজিক অবস্থায় জনশক্তি রফতানি খাত ধীরে ধীরে হয়ে উঠছে এক মহীরুহ। কিন্তু এ খাতের সম্ভাবনাকে এখনো পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। অর্থ উপার্জন যেমন গুরুত্বপূর্ণ ঠিক তেমনি সমান তাৎপর্যপূর্ণ হচ্ছে সেই অর্থের উৎপাদনমুখী ব্যবহার এবং তা নিশ্চিত করা।

এছাড়া কভিড-১৯-এর অভিঘাত থেকে অর্থনীতিকে রক্ষা করতে বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতেও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বিশেষভাবে কাজ করছে। মার্চ-এপ্রিল ২০২০ সময়ে রেমিট্যান্সের প্রবাহে নেতিবাচক গতি থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে আমরা রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্সের প্রবাহ দেখছি, যা কভিড-১৯-এর কারণে অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্সের নেতিবাচক প্রবাহ সত্ত্বেও গ্রামীণ অর্থনীতিকে কিছুটা হলেও সচল রাখতে সহায়তা করেছে। তবে জ্বালানি তেলের দরপতন ও বৈশ্বিক মন্দার কারণে রেমিট্যান্সের প্রবাহের ক্ষেত্রে এক ধরনের অনিশ্চয়তা রয়েছে।

এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে কয়েকটি দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা ও প্রবাসীরা অপেক্ষাকৃত কম দক্ষতাসম্পন্ন হওয়ার কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহে অনিশ্চয়তা সবসময়ই রয়ে গেছে। এক্ষেত্রে রেমিট্যান্সের নতুন নতুন উৎস খুঁজে বের করার পাশাপাশি বিদেশে গমনেচ্ছুদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। অবৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো বন্ধ করবার জন্যও পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।

পরিকল্পিতভাবে জনশক্তি রফতানি খাতের সমস্যা সমাধান এবং পেশাজীবী ও দক্ষ জনশক্তি বিদেশে প্রেরণের পাশাপাশি তাদের পাঠানো অর্থ সঠিকভাবে উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার করা গেলে এ খাত দেশের অর্থনৈতিক চিত্র পাল্টে দিতে পারে।

ফোকাস রাইটিং : অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের গুরুত্ব ও ভূমিকা ছাড়া আরও পড়ুনঃ

Focus writing – Functions of commercial Bank

ফেইসবুকে আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল পেইজ ও অফিসিয়াল গ্রুপের সাথে যুক্ত থাকুন। ইউটিউবে পড়াশুনার ভিডিও পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।

আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করতে ফেসবুক আইকনে ক্লিক করুন।