ব্যাংক ও বিসিএস রিটেনঃ প্রতিবেদন লেখার নিয়ম (বাংলা ও ইংরেজি)

ব্যাংক ও বিসিএস রিটেন প্রতিবেদন লেখার নিয়ম (বাংলা ও ইংরেজি)
Content Protection by DMCA.com

ব্যাংক ও বিসিএস রিটেন প্রতিবেদন লেখার নিয়ম (বাংলা ও ইংরেজি) । প্রতিবেদন বলতে কোন নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্যানুসন্ধান ভিত্তিক বিবরণী বোঝায়। এর ইংরেজি প্রতিশব্দ রিপোর্ট। যিনি প্রতিবেদন রচনা করেন, তাকে বলা হয় প্রতিবেদক ।

প্রতিবেদকের দায়িত্ব হল কোন বিষয়ের তথ্য উপাত্ত, সিদ্ধান্ত , ফলাফল ইত্যাদি খুঁটিনাটি অনুসন্ধানের পর বিবরণী তৈরি করে কোন ব্যক্তি ,প্রতিষ্ঠন বা কোন কর্তৃপক্ষের বিবেচনার জন্য পেশ করা। তবে চলুন দেখে নেই প্রতিবেদন লেখার নিয়ম ।

প্রতিবেদন এর প্রকারভেদঃ 
প্রতিবেদন বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। বিভিন্ন প্রকারের প্রতিবেদনের লেখার স্টাইলও আলাদা। ব্যাংক ও বিসিএস এ সাধারণত দুই ধরণের প্রতিবেদন আসতে দেখা যায়ঃ

১. সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য
২. প্রাতিষ্ঠানিক

তাই আমাদের আলোচনাকে আমরা এই দুই বিষয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করব।

প্রতিবেদন কিভাবে লিখবঃ
প্রতিবেদন কীভাবে লিখতে হবে বা এর আদর্শ ফরম্যাট কী হবে – বিভিন্ন বই-পত্র ও নেট ঘেটে-ঘুটে আমরা যা পেয়েছি তা এখানে ঢেলে দিলাম।

১. সংবাদ পত্রে প্রকাশ ভিত্তিক প্রতিবেদনঃ
আপনি যখন নিজেই সাংবাদিক হিসেবে প্রতিবেদন লিখছেন তখন আপনার প্রতিবেদন এর ফরম্যাট হবে নিম্নরূপঃ

প্রতিবেদনের প্রকৃতিঃ (পত্রিকার কোন পাতাতে যাবে।)

প্রতিবেদনের বিষয়ঃ (কোন ধরনের প্রতিবেদন তা লিখবেন। যেমন- শিক্ষা, সাহিত্য, রাজনীতি ইত্যাদি)

প্রতিবেদনের সময়ঃ

প্রতিবেদনের তারিখঃ

প্রতিবেদনের স্থানঃ

প্রতিবেদনের শিরোনামঃ (ছোট, আকর্ষণীয় এবং বিষয়ের সাথে মিল থাকতে হবে)

 

বিবরণ(পরীক্ষার খাতায় এই বিবরণ শব্দটা লিখতে হবে না।): ৩/৪টি প্যারা, ভাষার ধরণ হবে ঠিক সংবাদপত্রে যে রকম থাকে। উৎসটাও এ অংশে থাকবে। যেমনঃ বাসস জানাচ্ছে; কিংবা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, কর্মকর্তা জানান ইত্যাদি।

নিজস্ব প্রতিবেদক, দৈনিক প্রথম আলো বা যে কোন পত্রিকার নাম ( বিবরণ শেষে বসবে )

প্রতিবেদকের স্বাক্ষর

প্রেরক

নাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

দৈনিক প্রথম আলো

প্রাপক                                           টিকিট

সম্পাদক

দৈনিক প্রথম আলো

১নং রামকৃষ্ণ মিশন রোড

ঢাকা

 

২. প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবেদন এর ফরম্যাটঃ
আপনি যখন আপনার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ/নির্দেশক্রমে কোন প্রতিবেদন তৈরি করবেন তখন ফরম্যাট হবে নিম্নরূপঃ

তারিখঃ (১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ – এইভাবে লিখুন)

বরাবর,
রিপোর্টিং বসের ডেজিগনেশন
প্রতিষ্ঠানের নাম
প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা

বিষয় : ___________________________________________________ প্রতিবেদন।

সূত্র/স্মারক নং: জেবিএল/সিএডি/প্রতিবেদন/২০২০-১ তারিখ: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০।

জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে,আপনার আদেশ নং জেবিএল/সিএডি/প্রতিবেদন/২০২০-১ তারিখ:১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ অনুসারে (বিষয়ে যা লিখেছেন তা লিখবেন) … … … উপলক্ষে প্রতিবেদনটি নিম্নে পেশ করছি।

(রিপোর্টের শিরোনাম)

বিবরণঃ প্রয়োজন অনুসারে ৩/৪টি প্যারা।

মতামতঃ

প্রতিবেদকের স্বাক্ষরপ্রতিবেদনের বিষয়

প্রতিবেদনের সময়

প্রতিবেদনের তারিখ

প্রতিবেদনের স্থান

প্রতিবেদকের নাম ও ঠিকানা

 

প্রতিবেদন এর সূত্র/স্মারক নং সম্পর্কে প্রয়োজনীয় কিছু কথাঃ 
মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে যে, সূত্রটা কিভাবে বানাব। খুবই সোজা। মনে করুন যে, আপনি সোনালী ব্যাংক লিঃ এর মোহাম্মদপুর শাখার একজন অফিসার হিসেবে ডিজিএম মহোদয়ের আদেশক্রমে এজেন্ট ব্যাংকিং নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করছেন। তাহলে আপনি সূত্রটা তৈরি করতে পারেন এভাবে,

এসবিএল/এম.পুর শাখা/আদেশ/এজেন্ট ব্যাংকিং/প্রতিবেদন/২০২০-১ তারিখ: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ।

প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে এই সূত্রটা আপনাকে দিতেই হবে। আরেকটা বিষয় মনে রাখতে হবে যে, সূত্র বা স্মারকে আপনি যে তারিখ দিবেন প্রতিবেদনে তার থেকে কয়েকদিন পরের তারিখ দিবেন।

প্রতিবেদন এর ক্ষেত্রে যা মনে রাখতে হবেঃ
১. প্রতিবেদন নির্দিষ্ট কাঠামো ও নিয়মানুযায়ী প্রণয়ন করতে হবে।

২. কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা বা বিষয় অবলম্বনে প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর হতে হবে।

৩. প্রতিবেদনের মন্তব্য/সুপারিশ হবে সহজ-সরল, নিরপেক্ষ, যুক্তিযুক্ত ও বাহুল্যবর্জিত। প্রতিবেদকের কাছে বিশেষভাবে প্রত্যাশিত যে, তাঁর সংবাদ পারতপক্ষে এমন কোনো বিশেষণ ব্যবহার করবে না, যার ফলে তাঁর রচনা পক্ষপাতদুষ্ট মনে হয়।

৪. প্রতিবেদনের শিরোনামে উদ্ধৃতিচিহ্ন ব্যবহার না করার উচিত।

৫. সংবাদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো, অর্থাত্ খবর হিসেবে যা গুরুত্বপূর্ণ, তা-ই প্রতিবেদনে স্থান পাবে। বক্তা কিংবা প্রতিষ্ঠানের খ্যাতিতে বিভ্রান্ত না হয়ে বস্তু, ব্যক্তি, স্থান বা কাল—সবই প্রতিবেদককে সতর্কভাবে বিচার করে আসল বা সত্য বিষয়টি প্রতিবেদনে তুলে ধরতে হবে।

সংবাদ প্রতিবেদন এর কাঠামোঃ
ক. শিরোনাম: প্রতিবেদনের শিরোনাম হবে সমালোচনাধর্মী ও আকর্ষণীয়।

খ. সূচনা-অনুচ্ছেদ: সংবাদের পরের অংশের তুলনায় প্রথম বা সূচনা-অনুচ্ছেদেও গুরুত্ব বেশি দিতে হবে। প্রথম অনুচ্ছেদ হবে সংক্ষিপ্ত, স্পষ্ট ও আকর্ষণীয়।

গ. উৎসসূত্র: সূচনা অনুচ্ছেদেই প্রতিবেদনের উত্সসূত্র বর্ণিত হবে। যেমন: বাসস জানাচ্ছে; কিংবা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, কর্মকর্তা জানান ইত্যাদি।

ঘ. ব্যক্তিনাম পরিহার: প্রতিবেদনে ব্যক্তিনাম পরিহার করে পদমর্যাদা (সচিব, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক), সাধারণ পরিচয় যেমন: বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তা, কারখানার শ্রমিকেরা কিংবা ভুক্তভোগী এলাকাবাসী, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি ইত্যাদি ব্যবহার করা।

ঙ. সাধারণ তথ্য: সংবাদ প্রতিবেদনে সময়, স্থান, সংখ্যা ইত্যাদি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ বিষয়ের উল্লেখ থাকতে হয়।

এই হল মোটামুটিভাবে প্রতিবেদন এর কাঠামো। বাংলা এবং ইংরেজি যে ভাষাতেই প্রতিবেদন লিখুন না কেন ফরমেট একই থাকবে। প্রতিবেদন লেখার নিয়ম

এই পোস্টে সোনালী ব্যাংকের রিটেনে আসা শেয়ার বাজার ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার মধ্যে ভারসাম্যমূলক সম্পর্ক কাম্য প্রতিবেদনটি ইংরেজি করে দেয়া হল।

Report to Page: Business

Subject of Report: Stock Market and Banking System

Time of Report: 9:00 am

Date of Report: 10 September, 2020

Place of Report: Dhaka

Surname of the Report: Equilibrium relation between Stock Market and Banking System Desired

Unlike other industries, banking is a very sensitive business in the sense that the funds disburse by banks as loans are actually depositors’ money. As such, the regulatory body notably the central bank plays a guardian-like role ensuring depositors that banks are not assuming excessive risks. One of such regulations imposed on depository financial institutions is the limit on their exposure to the stock market because stocks are considered one of the riskiest financial instruments which banks can invest their funds with.

Earlier commercial banks in Bangladesh are allowed to invest 10% of their total liabilities (a major portion of which is the deposit) in the stock market. Very recently our finance minister has announced that the investment limit will be fixed at 40% of their paid-up capital aiming to address the liquidity crisis persists in the prime course, the Dhaka Stock Exchange. However, the limit will gradually cut down to 25% over the next three years. The proposed strategy to revive the capital market has stirred the decades-old debate: to what extent banks should be allowed to involve in the stock market? Banks’ investment in the stock market is allowed even in developed countries (to a limited extent) probably because of income diversification and keeping the stock market buoyant.

More than half of the income for the bank is coming from non-interest income the majority of which is investment income from the capital market. This marvelous growth of banks’ non-interest income is mainly due to capital gain from the stock market. Of course, following the historic stock market crash in December 2010, this route of income has shrunk significantly. This implies that more than half of the banks’ income is vulnerable to stock price fluctuations.

Banks’ involvement in the stock market to such an extent cannot be construed as sensible investment decisions and healthy banking practices. Because of the nature of the industry, the equity participation of banks as a source of funds is minuscule. About 77% (in 2009) of schedule banks’ total liabilities are provided by depositors. Thus, any adverse effects on banks resulting from the stock market fluctuations would severely hit the depositors. In such a situation a trickledown effect of one bank’s bankruptcy would definitely hit others which might end up with a bank-run.

If so, an emerging and financially shallow economy like Bangladesh can hardly afford to bear the burden. Moreover, banks’ strong presence in the stock market might be deleterious in the sense that the ability of individual investors to invest in the stock market is scant compared to the ability of a bank. As such, if the purpose of capital market regulators is to ensure stability in the market they must encourage individuals’ investors who are likely to invest for a relatively long period. Since the supply of securities in our market is very limited which results in relatively low market capitalization, the bank’s increased presence would definitely have a crowding-out effect on small but individual investors.

It is true unless a capital market is blessed by the diversified base of individual investors, market dynamism cannot be achieved which is one of the core principles of the capital market. So, an equilibrium relation between the stock market and the banking system is desired.

Signature of the Reporter

From

Name: X

Own Correspondent

The Daily Star

                                                   Ticket

To

The Editor

The Daily Star

64-65, Kazi Nazrul Islam Avenue

Dhaka-1215

 

আরও পড়ুনঃ

ফেইসবুকে আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল পেইজ ও অফিসিয়াল গ্রুপের সাথে যুক্ত থাকুন। ইউটিউবে পড়াশুনার ভিডিও পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।

প্রতিবেদন লেখার নিয়ম আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করতে ফেসবুক আইকনে ক্লিক করুন-