নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন বিষয়ে হ্যান্ড নোট : ১ম অংশ

নৈতিকতা, মূল্যবোধ, সুশাসন বিষয়ে হ্যান্ড নোট
Content Protection by DMCA.com

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন বিষয়ে হ্যান্ড নোট : ১ম অংশ

১.সুশাসনের মূল চাবিকাঠি
— জবাবদিহিতা

২. মূল্যবোধ হলো ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ ‘‘ উক্তিটি কার ?
— এম.ডব্লিউ পামফ্রে

৩. নৈতিকতা ও ঔচিত্যবোধের বিকাশভূমি
— সমাজ

৪. বিশ্বাসের অন্তর্নিহিত মূল্য
— মূল্যবোধ

৫. সুশাসনের ভিত্তিতে মজবুত করতে মূল্যবোধ কি সংরক্ষণের শিক্ষা দেয়?
-সভ্যতা ,সংস্কৃতি, ঐতিহ্য

৬. নাগরিক কর্তব্য পালনের শিক্ষা দিয়ে সুশাসনকে ত্বরান্বিত করে
— মূল্যবোধ শিক্ষা

৭. পরিবর্তন প্রতিরোধের মানসিকতা প্রকটভাবে দেখা যায়
— আমলাদের মধ্যে

৮. যে মূল্যবোধ মানুষের বাইরের ব্যক্তিত্বকে গড়ে তোলে তাকে কী বলে ?
— বাহ্যিক মূল্যবোধ

৯. কোনটি রাজনৈতিক মূল্যবোধ
— আনুগত্য

১০. বর্তমানে যুব সমাজ ধ্বংসের মূল হাতিয়ার কি?
— অপসংস্কৃতি

১১.অন্য ব্যক্তির কষ্ট যখন আমাদের মনে কষ্টের উদ্রেক করে কতখন সে অনুভুতিকে কি বলা হয়
— সহানুভূতি

১২. ‘অপরাধ একটি সামাজিক ঘটনা এবং সমাজের স্বাভাবিক রূপ ‘ কথাটি কে বলেছেন?
— এমিল ডুর্খেইম

১৩. নৈতিকতা ও সতাতা দ্বরা প্রভাবিত আচরণকে উত্কর্ষতাকে কি বলে?
— শুদ্ধাচার

১৪. আইনের শাসন কি?
— আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান

১৫. সামাজিক মূল্যবোধর অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি কোনটি ?
– সহনশীলতা

১৬. মূল্যবোধ কোন আচরণেকে নিয়ন্ত্রণ করে ?
– বাহ্যিক

১৭. সুশাসনের পূর্বশর্ত
— জবাবদিহিতা

১৮. সুশাসন নিডিশ্চত করতে যে দরনের সরকার প্রয়োজন
— গণতান্ত্রিক সরকার

১৯. সুশাসন জনপ্রশাসনের একটি
— নব্য সংস্কৃতি

২০. সুশানের লক্ষ্য কোনটি
– জনকল্যাণ সাধন

২১. ‘গভর্নেন্স’ একটি – বহুমাত্রিক ধারণা।

২২. ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক কর্তৃক প্রকাশিত এক সমীক্ষায় বলা হয় সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন – ৪টি প্রধান স্তরের উপর নির্ভরশীল।যথা – ক) দায়িত্বশীলতা খ) স্বচ্ছতা গ) আইনি কাঠামো ও ঘ) অংশগ্রহণ।

২৩. ১৯৯৪ সালে বিশ্বব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে – “সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।”

২৪. ‘ই-গভর্নেন্স’ শব্দটি এসেছে – ‘ই-গভর্মেন্ট’ বা ‘ইলেক্ট্রনিক গভর্মেন্ট’ থেকে।

২৫. ‘ই-গভর্নেন্স’ কে অনেক সময় – ডিজিটাল গভর্নেন্স, অনলাইন গভর্নেন্স নামেও অভিহিত করা হয়।

২৬. ‘ই-গভর্নেন্স’ কে বাংলায় – ‘ইলেক্ট্রনিক সরকার বা শাসন’ বলা হয়।

২৭. ‘ই-গভর্নেন্স’ বলতে – তথ্যপ্রযুক্তি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেট ও কম্পিউটারভিত্তিক যোগাযোগকে বুঝায়।যা শাসনের এমন এক পদ্ধতি যেখানে সরকারি সেবা ও তথ্যসমূহ জনগণ সহজে ঘরে বসেই পেতে পারে।

২৮. ই-গভর্নেন্স ও সুশাসনের মধ্যে রয়েছে – নিবিড় সম্পর্ক।

২৯. বাংলাদেশে ডিজিটাল পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন – শেখ হাসিনার সরকার।

৩০. ‘ইলেক্ট্রনিক গভর্নেন্স’ এর মূল লক্ষ্য – সুশাসন প্রতিষ্ঠা।

৩১. ‘ই-গভর্নেন্স’ চালু হলে – স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।

৩২. ‘সুশাসন’ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ – Good Governance

৩৩. ‘সুশাসন’ শব্দটির প্রকাশ ঘটানো হয়েছে – ‘গভর্নেন্স’ প্রপঞ্চটির সাথে ‘সু’ প্রত্যয় যোগ করে।

৩৪. ‘সুশাসন’ একটি – বহুমাত্রিক ধারণা।

৩৫. ‘সুশাসন’ ধারণাটি – বিশ্বব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।

৩৬. বিশ্বব্যাংক উদ্ভাবিত সুশাসন ধারণাটিতে মূলত – উন্নয়নশীল দেশের অনুন্নয়ন চিহ্নিত করা হয়।

৩৭. ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম – ‘সুশাসন’ প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।

৩৮. বর্তমান সময়ে প্রায় সব রাষ্ট্রই – কল্যাণকর রাষ্ট্র।

৩৯. আইনের শাসনের মৌলিক শর্ত – ৩টি। যথা- ক) আইনের দৃষ্টিতে সকলে সমান খ) আইনের আশ্রয় গ্রহণের সুযোগ বিদ্যমান থাকা ও গ) শুনানী গ্রহণ ব্যতীত কারো বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা।

৪০. দূর্নীতি দমনের জন্য প্রয়োজন – স্বাধীন দূর্নীতি দমন কমিশন।

৪১. সুশাসন বাধাগ্রস্থ হয় – আইনের শাসন না থাকলে।

৪২. সুশাসনের একটি সমস্যা হলো – জবাবদিহিতার অভাব।

৪৩. অকারণে হরতাল ডাকা হয় – বাংলাদেশে।

৪৪. প্রায় এক যুগের অধিক সময় ধরে দূর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েই চলেছে – বাংলাদেশ।

৪৫. যে তিনটি মহাদেশে বারবার সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে – এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন (দক্ষিণ) আমেরিকা।

৪৪. ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেয় : নৈতিক মূল্যবোধ।

৪৫. সভ্য সমাজের মানদণ্ড: আইনের শাসন।

৪৬.কর্মকাণ্ডের ভাল-মন্দের বিচারের ভিত্তি : মূল্যবোধ।

৪৭. মূল্যবোধ বিভিন্ন সমাজের : বিভিন্ন রকম।

৪৮. মূল্যবোধ হল : পরিবর্তনশীল ও নৈর্ব্যক্তিক।

৪৯. মূল্যবোধের ভিত্তি : ১০টি।

৫০. মূল্যবোধ সাধারণত : ৯ প্রকার।

৫১. আর্থিক লেনদেন, ব্যবসা-বাণিজ্য হল : অর্থনৈতিক মূল্যবোধ।

৫২. সামাজিক মূল্যবোধ হল : সুকুমার বৃত্তির সমষ্টি।

৫৩. শিশু প্রথম নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায় : পরিবারে।

৫৪. অপরের ধর্মমতকে সহ্য করা : ধর্মীয় মূল্যবোধ।

৫৫. সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় না : আইনের শাসনের অভাবে।

৫৬. জাতীয় উন্নতির চাবিকাঠি : গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ।

৫৭. গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠতম মূল্যবোধ : সহনশীলতা।

৫৮. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে : গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ।

৫৯. সৎ গুণই জ্ঞান/Knowledge is virtue : বলেছেন এরিস্টটল।

৬০. Morality শব্দটি এসেছে : ল্যাটিন Moralitas থেকে।

৬১. Truth is beauty and beauty is truth : বলেছেন জন কিটস।

৬২. Moralitas এর অর্থ : সঠিক আচরণ/চরিত্র।

৬৩. শুভ’র প্রতি অনুরাগ, অশুভ’র প্রতি বিরাগ : নৈতিকতা (ম্যূর)।

৬৪. নৈতিকতার রক্ষাকবচ : বিবেকের দংশন।

৬৫. নৈতিকতা প্রয়োগ করে না : রাষ্ট্র।

৬৬. ব্যক্তিগত ও সামাজিক ব্যাপার : নৈতিকতা।

৬৭. আইনের প্রয়োগ হয় না : নৈতিকতা লঙ্ঘনে।

৬৮. আইন ও নৈতিকতার মধ্যে প্রথম পার্থক্য করেন : ম্যাকিয়াভেলি।

৬৯. নৈতিকতাহীনতা : দণ্ডনীয় অপরাধ নয়।

৭০. পৌরনীতির প্রাক্তন অংশ : নীতি বিজ্ঞান।

৭১. নৈতিকতার পরিধি : আইনের চেয়ে বড়।

৭২. নৈতিকতা হল : অনির্দিষ্ট ও অস্পষ্ট।

৭৩. রাষ্ট্র সাধারণত অনুসরণ করে : নৈতিকতাকে।

৭৪. সমাজতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার ভিত্তি : সামাজিক স্বার্থ ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে।

৭৩. নৈতিকতা ও নীতিবোধের বিকাশ ঘটায় : ভাল-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত বোধ।

৭৪. নৈতিকতা একটি মানসিক বিষয়।

৭৫. ধনতান্ত্রিক সমাজে প্রতিষ্ঠা লাভের ভিত্তি : স্বার্থপরতা ও লোভ।

৭৬. নৈতিকতা ভিন্ন হতে পারে : দেশ-কাল-পাত্র ভেদে।

৭৭. সুনাগরিকের বড় গুণ : আত্মসংযম।

৭৮. গ্রহণ ও শ্রদ্ধার শিক্ষাকেই বলে : আত্মসংযম।

৭৯. মানবীয় গুণ হল : সহমর্মিতা।

৮০. সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে অগ্রগতির প্রধান ধাপ : শৃঙ্খলা-বোধ।

৮১. অধিকার ও কর্তব্য সচেতন নাগরিকই : সুনাগরিক।

৮২. ‘নীতিভ্রষ্ট বা নীতিহীন শাসক হল অন্যতম পাপী’ বলেছেন : করমচাঁদ গান্ধী।

৮৩. মূল্যবোধের ইংরেজি শব্দ হচ্ছে : value।

৮৪. মূল্যবোধের শাব্দিক অর্থ : তুলনামূলক আর্যমূল্য, বা দান বা অন্তর্নিহিত গুণাবলি।

৮৫. “মূল্যবোধ হল আবেগিক ও আদর্শগত ঐক্যের বোধ” : ফ্রাঙ্কেল।

৮৬. মূল্যবোধকে দুটি বিষয়ের নিরিখে বিভক্ত করেছেন : Deniel H. Parker.

৮৭. Deniel H. Parker এর বিষয় দুটি হল : বাস্তব জীবনভিত্তিক মূল্যবোধ ও কল্পনাপ্রসূত মূল্যবোধ।

৮৮. রাষ্ট্র, সরকার ও গোষ্ঠী কর্তৃক স্বীকৃত মূল্যবোধ : ইতিবাচক মূল্যবোধ।

৮৯. রাষ্ট্র, সরকার ও গোষ্ঠী কর্তৃক অস্বীকৃত মূল্যবোধ : নেতিবাচক মূল্যবোধ।

৯০. পেশাগত দিক থেকে মূল্যবোধ : ৮ প্রকার।

৯১. মানব মনের সুকোমল বৃত্তি প্রকাশের মূল্যবোধ : নান্দনিক মূল্যবোধ।

৯২. মানুষের আচার-আচরণকে পরিমাপ ও নিয়ন্ত্রণ করে : মূল্যবোধ।

৯৩. অন্যের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং সুখে সুখী ও দুঃখে দুঃখী হওয়া হল : সহমর্মিতা।

৯৪. মানুষের কাজের মানদণ্ড : মূল্যবোধ।

৯৫. সমাজের ভিত্তি হল : সামাজিক মূল্যবোধ।

৯৬. ভাল-মন্দ বিচার করার ক্ষমতাকে বলে : নৈতিকতা।

৯৭. আইন ও নৈতিকতার মধ্যে পার্থক্য করা হত না : প্রাচীনকালে।

৯৮. আইন ও নৈতিকতার পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় : পৃথক সত্ত্বা হিসেবে রাষ্ট্রের প্রকাশের পর।

৯৯. মানুষের মনোজগতকে নিয়ন্ত্রণ করে : নৈতিকতা।

১০০. বিবেক, চিন্তা, বুদ্ধি ও ন্যায়পরায়ণতা হচ্ছে : নৈতিকতার উৎস।

১০১. নৈতিকতা পরিচালিত হয় : সামাজিক বিবেকের দ্বারা।

১০২. গণতন্ত্র থেকে উৎসারিত মূল্যবোধ : গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ।

১০৩. আইন ও নৈতিকতার লক্ষ্য ও আলোচ্য বিষয় : একই।

১০৪. মূল্যবোধ হল : সামাজিক আচার-আচরণের সমষ্টি।

১০৫. সামাজিক মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য : আপেক্ষিকতা।

১০৬. মূল্যবোধ দৃঢ় হয় : শিক্ষার মাধ্যমে।

১০৭. সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত, পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত ও ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গির উপর ১০৮নির্ভরশীলতা হল : মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য।

১০৯. সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত হয় : পৌরনীতি ও ইতিহাসের শিক্ষা দ্বারা।

১১০. মূল্যবোধ : সমাজের বৃহৎ অংশের দ্বারা অনুমোদিত।

১১১. মূল্যবোধের একটি প্রকার হল : আদিম মানুষের কাজে-কর্মে।

১১২. সততার সাথে দায়িত্ব পালনে ব্রত : মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ।

১১৩. আইনের ভিত্তি বলা হয় : মূল্যবোধকে।

১১৪. মানুষ ও পশুর মধ্যে পার্থক্যকারী ধারণা : ঔচিত্যবোধ।

নৈতিকতা, মূল্যবোধ, সুশাসন বিষয়ে হ্যান্ড নোট : ১ম অংশ

১। গণতন্ত্রের প্রাণ কোনটি?
→ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন

২। সুশাসন কি ধরনের শাসন ব্যবস্থা?
→ অংশগ্রহণমূলক শাসন ব্যবস্থা

৩। সংসদীয় গণতন্ত্রে একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী কে?
→ প্রধানমন্ত্রী

৪। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য প্রয়োজন কোনটি?
→ ধর্মীয় সহিষ্ণুতা

৫। ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেয়া কোন মূল্যবোধের অন্তর্ভুক্ত?
→ নৈতিক মূল্যবোধ

৬। সুশাসনের মূল লক্ষ কোনটি?
→ জবাবদিহিতা

৭। মূল্যবোধের ইংরেজি প্রতিশব্দ কোনটি?
→ Values

৮। কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য শর্ত কোনটি?
→ সুশাসন প্রতিষ্ঠা

৯। বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য শাসন ব্যবস্থা কোনটি?
→ গণতন্ত্র

১০। সুশাসন ধারনাটির উদ্ভাবক সংস্থা কোনটা?
→ বিশ্বব্যাংক

১১. সুশাসনের চাবিকাঠি বলা হয় নিচের কোনটিকে?
– সচেতনতাকে

১২.দেশ শাসনের প্রদান উপাদান কয়টি?
— ৩টি

১৩. গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র নিচের কোনটি?
– সাম্য

১৪. বিশ্ব ব্যাংক চিহ্নিত সুশাসনের সূচক কয়টি?
–৬টি

১৫. জনগণের চোখ দিয়ে রাষ্ট্রকে দেখাই হচ্ছে-
— গণতন্ত্রের মূলতš

১৬. পেশাগত দিক থেকে মূল্যবোধ কত প্রকার ?
— ৮ প্রকার

১৭. কোন মহাদেশে বিশ্বব্যাংকের ব্যাপক ব্যর্থতার ফসল হিসেবে উদ্ভব ঘটে সুশাসনের ধারণার ?
– আফ্রিকা

১৮. সাধারণভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সমস্যা কয়টি?
—২২টি

১৯. সুশাসনের মূল রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
— অংশ গ্রহণমূলক পদ্ধতি

২০. দুর্নীতির সাথে সুশাসনের সম্পর্ক কিরূপ ?
— বিপরীতমুখী

২১. নাগরিককে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতন করে নিচের কোনটি?
– শিক্ষা

২২. স্বৈরাচারের উৎপত্তি ঘটাতে সহায়তা করে নিচের কোনটির অভাব?
– (ঘ) মূল্যবোধ

২৩. জন প্রশাসনের একটি নব্য সংস্কৃতির নাম হলো-
– সুশাসন

২৪. জাতীয় ঐক্যমত সৃষ্টিতে মূখ্য ভূমিকা পালন করে নিচের কোনটি?
– সরকার

২৫. গণতন্ত্রের প্রাণ নিচের কোনটি?
– নির্বাচন

২৬. সুশাসন ধারণাটির নিচের কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত ?
– বিশ্বব্যাংক

২৭. সুশাসন ধারণার উদ্ভব হয় কত সালে?
– ১৯৮৯

২৮. আমাদের দেশের আইনের শাসনের মৌলিক শর্ত কয়টি?
-৩টি

২৯. উন্নয়নশীল দেশের রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
– ব্যক্তি পূজা

৩০ জনগণ ও সরকারের মধ্যে যোগযোগ সহজ করতে ভূমিকা রাখছে নিচের কোনটি?
-ই-গভর্ন্যান্স

৩১. “রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য সুশাসন আবশ্যক” এ বক্তব্যটি কার?
উত্তরঃ মিশেল ক্যামভেসাস

৩২. ’আইন হচ্ছে নিম্নতমের প্রতি উর্ধ্বতন রাজনৈতিক কর্তৃত্বের আদশর্’ উক্তিটি কার ?
উত্তরঃ জন অস্টিন

৩৩. কোনটি ছাড়া সুশাসন সম্ভব নয়?
উত্তরঃ জবাবদিহিতা

৩৪. কিসের অভাবে দুর্নীতি জন্ম নেয়?
উত্তরঃসুশাসন

৩৫. তথ্য অধিকার আইন প্রথম চালু হয় কোন দেশে ?
উত্তরঃ সুইডেন

৩৬. দেশের শাসনতান্ত্রিক আইন উল্লেখ থাকে?
উত্তরঃ সংবিধানে

৩৭. বাংলাদেশের গ্রাম সরকার আইন পাস হয় কত সালে ?
উত্তরঃ ২০০৩

৩৮. বাংলাদেশে ই-গভার্ন্যান্স বাস্তবায়নের পথে অন্যতম বাধা কী?
উত্তরঃ সমন্বয়হীনতা

৩৯. নৈতিক অধিকারের মূল উৎস হলো-
উত্তরঃ ন্যায়বোধ

৪০. রাজনৈতিক দল জনগণের উপকার করে কীভাবে?
উত্তরঃ দাবি পূরণের মাধ্যমে

 

আরোও পড়ুনঃ Primary Question Solution 2010 – Hemonto Set

রবিঠাকুরের ১২ টি উপন্যাস মনে রাখার উপায়

বাংলা সাহিত্য অংশে আসা গুরুত্বপূর্ণ ১০০ টি প্রশ্ন-উত্তর

ফেইসবুকে আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল পেইজঅফিসিয়াল গ্রুপের সাথে যুক্ত থাকুন। ইউটিউবে পড়াশুনার ভিডিও পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।

আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করতে ফেসবুক আইকনে ক্লিক করুনঃ